লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রামখানা ও অনন্তপুর বিওপির ০২টি বিশেষ টহলদল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় শাড়ি এবং প্যান্টের পিছ জব্দ করেছে।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে বিজিবি জানতে পারে যে, চোরাকারবারীরা ভারতীয় শাড়ির একটি বড় চালান সীমান্ত দিয়ে পাচার করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে রামখানা বিওপি এবং ১১:০০ ঘটিকায় অনন্তপুর বিওপির বিশেষ টহলদল পশ্চিম রামখানা, নাগরাজ (থানা: নাগেশ্বরী, জেলা: কুড়িগ্রাম) এলাকায় পৃথক ০২টি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযান চলাকালীন টহল দলের সদস্যরা কতিপয় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আসতে দেখে তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে দৌড়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশী করে ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ি ১৬৭টি, সিল্ক শাড়ি ৭৬টি এবং প্যান্টের পিছ ০৩ থান জব্দ করতে সক্ষম হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর অধিনায়কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জব্দকৃত ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ি ১৬৭টি, যার সিজার মুল্য ১৬,৭০,০০০/-, সিল্ক শাড়ি ৭৬টি, যার সিজার মুল্য ৭,৬০,০০০/- এবং প্যান্টের পিছ ০৩ থান, যার সিজার মুল্য ৩৬,০০০/-টাকাসহ সর্বমোট ২৪,৬৬,০০০/-(চব্বিশ লক্ষ ছেষট্টি হাজার টাকা)। এছাড়াও চোরাচালান চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারীদের তথ্য সংগ্রহপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার “লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি” বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও মানব পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় আপসহীন। চোরাচালান মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আমরা গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করেছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন, স্টাফ রিপোর্টার 

















