০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘিকে দর্শনীয় স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা: ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘিকে শুধু স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতি পুকুরপাড়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন। আগামী ২৭ মার্চ লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঐতিহ্যবাহী সিন্দুরমতি মেলা সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, দিঘির সীমানা নির্ধারণের কাজ ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ স্থানকে আধুনিক দর্শনীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দক্ষ নকশাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। পরিকল্পনা চূড়ান্ত হলে দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। অতীতে নানা কারণে স্থানটি অবহেলিত ছিল। দিঘিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত মেলায় পূর্বে কিছু অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও তা প্রতিরোধে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা সম্প্রসারণে জেলাভিত্তিক স্টেডিয়াম নির্মাণসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে এবং সামাজিক অবক্ষয় হ্রাস পাবে।

সিন্দুরমতি দিঘি লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের শেষ সীমানায় কুড়িগ্রামের রাজাহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। প্রতিবছর এ মেলায় লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।

সভায় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্নপূর্ণা দেবনাথ, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম রকিব হায়দার, দুই জেলার পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঐতিহ্যবাহী এ মেলাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

জনপ্রিয়

মাদক বিরোধী অভিযানে ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপসহ আটক ১

ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘিকে দর্শনীয় স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:১৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘিকে শুধু স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের সিন্দুরমতি পুকুরপাড়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন। আগামী ২৭ মার্চ লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় ঐতিহ্যবাহী সিন্দুরমতি মেলা সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, দিঘির সীমানা নির্ধারণের কাজ ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ স্থানকে আধুনিক দর্শনীয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দক্ষ নকশাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। পরিকল্পনা চূড়ান্ত হলে দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক সিন্দুরমতি দিঘি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। অতীতে নানা কারণে স্থানটি অবহেলিত ছিল। দিঘিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত মেলায় পূর্বে কিছু অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকলেও তা প্রতিরোধে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা সম্প্রসারণে জেলাভিত্তিক স্টেডিয়াম নির্মাণসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে এবং সামাজিক অবক্ষয় হ্রাস পাবে।

সিন্দুরমতি দিঘি লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের শেষ সীমানায় কুড়িগ্রামের রাজাহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। প্রতিবছর এ মেলায় লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে।

সভায় কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্নপূর্ণা দেবনাথ, লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম রকিব হায়দার, দুই জেলার পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঐতিহ্যবাহী এ মেলাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।