০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, ছুড়তে গিয়ে তরুণের হাত ক্ষতবিক্ষত

  • এবিএন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • 37

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে এই সংঘর্ষ হয়।

এতে জাবেদ শেখ (২০) নামের এক তরুণ আহত হয়েছেন। ককটেল বিস্ফোরণে তার বাঁ হাত ক্ষতবিক্ষত হয়। আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল জলিল মাতবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরেই বুধাইরহাট বাজারে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জাজিরা থানা সূত্র জানায়, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে এবং প্রায় প্রতিবারই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের ৫ এপ্রিল ও ২ নভেম্বর বিলাশপুরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করেছিল।

এসব ঘটনার পর পুলিশ কুদ্দুস ব্যাপারী, আব্দুল জলিল মাতবরসহ তাদের কয়েকজন সমর্থকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে। ওই মামলায় আব্দুল জলিল মাতবর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। আর ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকা ছেড়ে গেছেন।

বর্তমানে তাদের সমর্থক হিসেবে পরিচিত মান্নান ব্যাপারী (কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক) ও নাসির ব্যাপারী (আব্দুল জলিল মাতবরের সমর্থক) নতুন করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে মান্নান ও নাসিরের লোকজন বুধাইরহাট এলাকায় ৮–১০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এর জের ধরে রোববার সকালে বুধাইরহাট বাজারে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে বাজারের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ককটেল ছুড়তে গিয়ে জাবেদ শেখ আহত হন।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ বলেন, “কুদ্দুস ব্যাপারী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী জলিল মাতবরের বিরোধের জেরে তাদের সমর্থকেরা বুধাইরহাট বাজারে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এতে একজন আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

ঘটনার পর মান্নান ব্যাপারী ও নাসির ব্যাপারী এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

অমর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ

শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, ছুড়তে গিয়ে তরুণের হাত ক্ষতবিক্ষত

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে এই সংঘর্ষ হয়।

এতে জাবেদ শেখ (২০) নামের এক তরুণ আহত হয়েছেন। ককটেল বিস্ফোরণে তার বাঁ হাত ক্ষতবিক্ষত হয়। আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল জলিল মাতবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধের জের ধরেই বুধাইরহাট বাজারে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জাজিরা থানা সূত্র জানায়, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে এবং প্রায় প্রতিবারই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের ৫ এপ্রিল ও ২ নভেম্বর বিলাশপুরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি করেছিল।

এসব ঘটনার পর পুলিশ কুদ্দুস ব্যাপারী, আব্দুল জলিল মাতবরসহ তাদের কয়েকজন সমর্থকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করে। ওই মামলায় আব্দুল জলিল মাতবর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। আর ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকা ছেড়ে গেছেন।

বর্তমানে তাদের সমর্থক হিসেবে পরিচিত মান্নান ব্যাপারী (কুদ্দুস ব্যাপারীর সমর্থক) ও নাসির ব্যাপারী (আব্দুল জলিল মাতবরের সমর্থক) নতুন করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে মান্নান ও নাসিরের লোকজন বুধাইরহাট এলাকায় ৮–১০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এর জের ধরে রোববার সকালে বুধাইরহাট বাজারে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে বাজারের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দুটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ককটেল ছুড়তে গিয়ে জাবেদ শেখ আহত হন।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মদ বলেন, “কুদ্দুস ব্যাপারী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী জলিল মাতবরের বিরোধের জেরে তাদের সমর্থকেরা বুধাইরহাট বাজারে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এতে একজন আহত হয়েছেন। তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”

ঘটনার পর মান্নান ব্যাপারী ও নাসির ব্যাপারী এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।