০৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অপ-সাংবাদিকতার লাগাম টানতে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লালমনিরহাট জেলা শাখা

লালমনিরহাট জেলায় ক্রমবর্ধমান অপ-সাংবাদিকতা, ভুয়া আইডি ব্যবহার, তথ্য বিকৃতি, অযাচিত চাপবাজি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখা। সাংবাদিকতার নৈতিক মান এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠনটি এক ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এতে বলা হয়েছে—“সাংবাদিকতার নামে অসততা বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের মর্যাদা হুমকির মুখে পড়বে।”

সাম্প্রতিক সময়ে লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলা, হাট-বাজার, হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর এমনকি সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়েও ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। অনেকেই  নামমাত্র ফেসবুক পেজের পরিচয় দেখিয়ে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইলিং, অবৈধ সুবিধা গ্রহণ এবং মিথ্যা সংবাদ প্রচারের চেষ্টা করছেন। এ কারণে প্রশাসন, ব্যবসায়ী সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখার দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, জেলার প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মান রক্ষা, সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় তাদের এ উদ্যোগ সময়োপযোগী। তারা বলেন, “ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্যে প্রকৃত সাংবাদিকরা হেনস্তা হচ্ছেন, গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।”

সাংবাদিকরা মনে করেন, সাংবাদিকতা একটি মহৎ ও দায়িত্বপূর্ণ পেশা। সত্য, সততা, মানবিকতা ও তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করেই একটি সমাজে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়। কিন্তু অপ-সাংবাদিকতার কারণে আজ এ পেশা নানা সংকটে পড়েছে। তাই পরিষ্কার ঘোষণা দিয়ে বলা হয়—“সাংবাদিকতার নামে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর বিভাগীয় সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক নেতা এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন  বলেন,

“সাম্প্রতিক সময়ে লালমনিরহাট জেলায় ভুয়া পরিচয়ে সংবাদ সংগ্রহ, মিথ্যা তথ্য প্রচার ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপ-সাংবাদিকতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব কর্মকাণ্ড প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করছে।  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখা এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। নৈতিক, দায়িত্বশীল ও তথ্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভুয়া সাংবাদিকতা ও অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা মাঠে আছি।

সত্য ও ন্যায়নিষ্ঠ সাংবাদিকতা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সংগঠন ও প্রশাসন বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, ভুয়া সাংবাদিকদের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অনেকে আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই পদক্ষেপ লালমনিরহাটের গণমাধ্যম অঙ্গনকে আরও সুসংগঠিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করে তুলবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এই কঠোর ও দৃঢ় অবস্থান ভবিষ্যতে দেশের অন্য জেলাগুলোকেও অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে একইভাবে উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করবে।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় ইয়াবা ও জিরা জব্দ

অপ-সাংবাদিকতার লাগাম টানতে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লালমনিরহাট জেলা শাখা

প্রকাশের সময় : ০৯:০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

লালমনিরহাট জেলায় ক্রমবর্ধমান অপ-সাংবাদিকতা, ভুয়া আইডি ব্যবহার, তথ্য বিকৃতি, অযাচিত চাপবাজি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখা। সাংবাদিকতার নৈতিক মান এবং গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠনটি এক ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এতে বলা হয়েছে—“সাংবাদিকতার নামে অসততা বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের মর্যাদা হুমকির মুখে পড়বে।”

সাম্প্রতিক সময়ে লালমনিরহাটের বিভিন্ন উপজেলা, হাট-বাজার, হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর এমনকি সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়েও ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। অনেকেই  নামমাত্র ফেসবুক পেজের পরিচয় দেখিয়ে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইলিং, অবৈধ সুবিধা গ্রহণ এবং মিথ্যা সংবাদ প্রচারের চেষ্টা করছেন। এ কারণে প্রশাসন, ব্যবসায়ী সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন।

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখার দায়িত্বশীল সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, জেলার প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মান রক্ষা, সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন এবং নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় তাদের এ উদ্যোগ সময়োপযোগী। তারা বলেন, “ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্যে প্রকৃত সাংবাদিকরা হেনস্তা হচ্ছেন, গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।”

সাংবাদিকরা মনে করেন, সাংবাদিকতা একটি মহৎ ও দায়িত্বপূর্ণ পেশা। সত্য, সততা, মানবিকতা ও তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করেই একটি সমাজে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়। কিন্তু অপ-সাংবাদিকতার কারণে আজ এ পেশা নানা সংকটে পড়েছে। তাই পরিষ্কার ঘোষণা দিয়ে বলা হয়—“সাংবাদিকতার নামে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর বিভাগীয় সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক নেতা এস,আর শরিফুল ইসলাম রতন  বলেন,

“সাম্প্রতিক সময়ে লালমনিরহাট জেলায় ভুয়া পরিচয়ে সংবাদ সংগ্রহ, মিথ্যা তথ্য প্রচার ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মতো অপ-সাংবাদিকতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব কর্মকাণ্ড প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করছে।  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, লালমনিরহাট জেলা শাখা এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। নৈতিক, দায়িত্বশীল ও তথ্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভুয়া সাংবাদিকতা ও অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা মাঠে আছি।

সত্য ও ন্যায়নিষ্ঠ সাংবাদিকতা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে সাধারণ মানুষ, বিভিন্ন সংগঠন ও প্রশাসন বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, ভুয়া সাংবাদিকদের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অনেকে আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই পদক্ষেপ লালমনিরহাটের গণমাধ্যম অঙ্গনকে আরও সুসংগঠিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করে তুলবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের এই কঠোর ও দৃঢ় অবস্থান ভবিষ্যতে দেশের অন্য জেলাগুলোকেও অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে একইভাবে উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করবে।