০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বরগুনার সার্কিট হাউজ মাঠে নির্মিত হলো ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ — গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত

বরগুনা সার্কিট হাউজের মাঠে গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত হলো ঐতিহাসিক “জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ”। স্বাধীনতা-পরবর্তী গণআন্দোলনের ঐতিহ্য ও ত্যাগকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান শুধু বরগুনার নয়, পুরো দেশের গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক প্রতীক। এই স্মৃতিস্তম্ভ প্রমাণ করবে যে, মানুষের ঐক্যই পরিবর্তনের শক্তি।”

নির্মাণকাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসন। আধুনিক নকশায় তৈরি এই স্মৃতিস্তম্ভে সংরক্ষিত থাকবে গণআন্দোলনের সময়কার দলিল, আলোকচিত্র ও ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

স্থানীয়দের ভাষায়, “জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি আমাদের গৌরব ও ত্যাগের ইতিহাসের প্রতীক।”

অমর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ

বরগুনার সার্কিট হাউজ মাঠে নির্মিত হলো ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ — গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত

প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

বরগুনা সার্কিট হাউজের মাঠে গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত হলো ঐতিহাসিক “জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ”। স্বাধীনতা-পরবর্তী গণআন্দোলনের ঐতিহ্য ও ত্যাগকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান শুধু বরগুনার নয়, পুরো দেশের গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক প্রতীক। এই স্মৃতিস্তম্ভ প্রমাণ করবে যে, মানুষের ঐক্যই পরিবর্তনের শক্তি।”

নির্মাণকাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বরগুনা জেলা প্রশাসন। আধুনিক নকশায় তৈরি এই স্মৃতিস্তম্ভে সংরক্ষিত থাকবে গণআন্দোলনের সময়কার দলিল, আলোকচিত্র ও ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

স্থানীয়দের ভাষায়, “জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি আমাদের গৌরব ও ত্যাগের ইতিহাসের প্রতীক।”